Our’anic Sciences and Islamic Studies (QSIS)

Message From Chairman

Message From Chairman of QSIS


জ্ঞানার্জন ফরজ। জ্ঞান-বিজ্ঞানের মূল উৎসই হল আল-কুর’আন। আধুনিক বিজ্ঞানের সাথে কুর’আনের কোন সংঘাত নেই; বরং আল-কুর’আনই আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞানের পথপ্রদর্শক। ইলম তথা জ্ঞান-বিজ্ঞান শব্দটি পবিত্র কুর’আনে ৭৭৯ বারের বেশি এসেছে। তাই বিজ্ঞানের যত উৎকর্ষ সাধিত হচ্ছে, ততই আল-কুর’আনের অলৌকিকতা প্রস্ফুটিত ও প্রমান হচ্ছে। এ শাশ্বত সত্যটি অনেক Orientalist – এর গবেষণায় ও প্রতিফলিত হয়েছে। মহাবিশ্বের মহাবিস্ময় মহাগ্রন্থ আল-কুর’আনকে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির উৎকর্ষতার যুগে ব্যাপক ভিত্তিক গবেষণার লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয় চট্টগ্রাম-এ কুর’আনিক সায়েন্সেস এন্ড ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। যে কয়টি বিভাগ নিয়ে IIUC এর পথচলা শুরু হয়েছিল, তার মধ্যে QSIS বিভাগ ছিল অন্যতম, প্রধান এবং প্রথম। সময়ের সিঁড়ি বেয়ে এ বিভাগ আজ এক বিশাল মহীরুহে পরিণত হয়ছে। মহাগ্রন্থ আল কুরআনের সীমাহীন বরাকতে এই বিভাগ যেন কুর’আনে বর্ণিত সে পবিত্র বৃক্ষ- যার সুদৃঢ় ভিত্তি জমিনের সুগভীর তলদেশে প্রোথিত, শাখা- প্রশাখা দূর আকাশে নিলীমার অপারে প্রসারিত, কল্যাণময় ফলফলাদি বিশ্বময় বিস্তৃত। অত্র বিভাগের শিক্ষার্থীরা বাংলাদেশের সীমানা ছাড়িয়ে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে সভ্যতা ও সংস্কৃতির উন্নয়নে সীমাহীন অবদান রেখে যাচ্ছে। QSIS বিভাগে অধ্যানয়রত শিক্ষার্থীদের সামনে ভালবাসাসিক্ত কটি প্রশ্ন রাখতে চাই, যেতদিন এ ক্যাম্পাসে তোমরা প্রথম এসেছিলে সেদিন অনেকগুলো স্বপ্ন তোমাদের চোখে-মুখে ছিল, সেগুলোর কতটুকু বাস্তবায়ন হল? অনেকগুলো অগোছালো পরিকল্পনা তোমাদের ছিল, সেগুলো কতটুকু গুছিয়ে নিতে পেরেছ? ইলম ও প্রযুক্তির ময়দানে যে অবস্থান নিয়ে তোমরা এসেছিলে সেখান থেকে কতটুকু সামনে অগ্রসর হয়ছে? আমাদের সামনে বাস্তব কর্মক্ষেত্র খুবই চ্যালেঞ্জর্পূণ, তার জন্য নিজেকে প্রস্তুত করতে নিরন্তন প্রচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছ তো? বর্তমান অবস্থানে থেকে তোমাদেরকে এসব প্রশ্নের সঠিক জবাব নির্ণয় করতে হবে-আগামী দিনের কর্ম তৎপরতা ও সফলতার অনেকাংশ এর উপর র্নিভরশীল। সে সব শির্ক্ষাথী এখনো মাদ্রাসার নান্দনিক পরিবেশে লিখাপড়া করছ, আলিম পাশ করে “ফি যিলালিল কুরআনে” চলে অসার জন্য তোমাদের আহবান করছি। র্সবোপরি إخلاص ও تقوىহোক তোমাদের জীবনের পাথেয়। জানিনা সর্বত্রই কেন জানি এর খুবই অভাব অনুভূত হচ্ছে। উল্লেখিত পাথেয় সমৃদ্ধ একদল কর্মবীর তৈরী করাই QSIS বিভাগের মূল লক্ষ্য। যারা শতাব্দীর চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় মুসলিম উম্মাহকে বুদ্ধিভিত্তিক দিক র্নিদেশনা দিয়ে আমাদের গৌরবময় আলো ঝলমলে অতীত ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হবে ইনশাআল্লাহ।